April 7, 2026, 1:37 pm
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

৫০টি ছবি বিশ্লেষণে হাদিকে গুলি করা সন্দেহভাজনের রাজনৈতিক পরিচয়ের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলায় জড়িত সন্দেহভাজন যুবকের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এনেছে একটি ডিজিটাল অনুসন্ধানী মাধ্যম।

ডিজিটাল ইনভেস্টিগেটিভ মিডিয়া দ্য ডিসেন্ট দাবি করেছে, হাদিকে গুলি করা ব্যক্তি এর আগেও ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে উপস্থিত ছিলেন এবং হাদির নির্বাচনি কার্যক্রমেও অংশ নিয়েছিলেন।

ছবি ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের দাবি

দ্য ডিসেন্ট জানায়, ৯ ডিসেম্বর ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের সিসিটিভি ফুটেজ, ১২ ডিসেম্বর হামলার সময় পুলিশের সংগ্রহ করা সিসিটিভি ভিডিও, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থাকা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পোস্টসহ ৫০টিরও বেশি ছবি তুলনামূলকভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই বিশ্লেষণে দেখা যায়, তিনটি ভিন্ন ঘটনায় উপস্থিত ব্যক্তির চেহারা একই বলে প্রতীয়মান হয়। দ্য ডিসেন্টের মতে, ওই ব্যক্তির সঙ্গে ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান নামের এক ব্যক্তির শারীরিক গঠনের মিল পাওয়া গেছে।

রাজনৈতিক পরিচয়ের দাবি

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ফয়সাল করিম মাসুদ রাজধানীর আদাবর থানা ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। এ সংক্রান্ত পুরোনো সংবাদ প্রতিবেদনেও তার নাম পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়। বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, হামলাকারীর বাম হাতে থাকা একটি বিশেষ ডিজাইনের ঘড়ির সঙ্গে ফয়সাল করিম মাসুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা ঘড়ির মিল রয়েছে। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে রাজধানীর আদাবর এলাকায় একটি অফিসে ঢুকে অস্ত্রের মুখে ১৭ লাখ টাকা ডাকাতির ঘটনায় ফয়সাল করিম মাসুদকে র‍্যাব গ্রেপ্তার করেছিল বলে সে সময় একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই সময় তার কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধারের তথ্যও উঠে আসে। তবে পরবর্তীতে কীভাবে তিনি জামিনে মুক্ত হন, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

আল জাজিরা সাংবাদিকের মন্তব্য

আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, ফয়সাল করিম মাসুদ (ছদ্মনাম দাউদ বিন ফয়সাল) ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও আদাবর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। তিনি আরও দাবি করেন, ফয়সাল প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ অনুসারী।

ঘটনার দিন কী ঘটেছিল

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজের পর বেলা ২টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর বিজয়নগর বক্স কালভার্ট এলাকায় শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলি চালানো হয়। ডিএমপির জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, মোটরসাইকেলে আসা হামলাকারীরা গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় তিনটি মোটরসাইকেল ব্যবহৃত হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
হাদির এক সহযোদ্ধা জানান, জুমার নামাজ শেষে মসজিদে লিফলেট বিতরণের কর্মসূচি ছিল তাদের। কর্মসূচি শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একত্রিত হয়ে মধ্যাহ্নভোজের পরিকল্পনা ছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *