জান্নাতুল জান্নাত:
মুন্সীগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দলের ২১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সাইফুল ইসলাম বাদলকে আহ্বায়ক এবং মো. শরীফ হোসেন জুয়েলকে সদস্য সচিব করে কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কমিটি ঘোষণা করা হয়। কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। তিলাওয়াত করেন নবনিযুক্ত আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বাদল।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দল লায়ন মনসুর আহম্মেদ মুন্না। তিনি বলেন, “জিয়া সৈনিক দলে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ বা আওয়ামী দুষ্কৃতকারীদের কোনো স্থান নেই।”
প্রধান অতিথি সভাপতি, কেন্দ্রীয় কমিটি, জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দল, মির্জা এনএইচ রুবেল বলেন, “বিএনপির সুবিধাবঞ্চিত এবং কঠিন সময়ে দলের পাশে থাকা কর্মীদের জন্যই জিয়া সৈনিক দল কাজ করে যাচ্ছে।”
বক্তব্যে সাইফুল ইসলাম বাদল বলেন, “ধানের শীষ ছাড়া দেশের উন্নতির অন্য কোনো বিকল্প নেই। জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সুসংগঠিত করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”
সদস্য সচিব মো. শরীফ হোসেন জুয়েল বলেন, “মুন্সীগঞ্জ জেলাকে শিক্ষিত সমাজ ও স্মার্ট জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।”
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান প্রধান মিন্টু।

শেষে নতুন কমিটির নেতাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।
মুন্সীগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দলের ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি
মোঃ সাইফুল ইসলাম (বাদল), আহ্বায়ক, মোঃ মোসাদ্দার হোসেন (কামাল), সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক, মোঃ নুর আলম, যুগ্ম-আহ্বায়ক, মোঃ আবুল কালাম, যুগ্ম-আহ্বায়ক, মোঃ আমিনুল ইসলাম, যুগ্ম-আহ্বায়ক, মোঃ সায়েম হোসেন, যুগ্ম-আহ্বায়ক, মোসা. সেতারা টুনি, যুগ্ম-আহ্বায়ক, মোঃ রহুল আমিন (শিবলু), যুগ্ম-আহ্বায়ক, মোঃ সালাউদ্দিন, যুগ্ম-আহ্বায়ক, মোহাম্মদ আলী মন্টু, যুগ্ম-আহ্বায়ক, আসফাক হোসেন কনক, যুগ্ম-আহ্বায়ক, খন্দকার মোঃ মোস্তাহাব, যুগ্ম-আহ্বায়ক, মোঃ শরীফ হোসেন (জুয়েল), সদস্য সচিব, ইরসা গাজী, সদস্য, রাজিবুল হোসেন, সদস্য, মোঃ পারভেজ, সদস্য, মোঃ রাসেল ব্যাপারী, সদস্য, মোঃ তরিকুল ইসলাম, সদস্য, জামানউল্লা খান,সদস্য, মোঃ ফেরদাউস, সদস্য, মোঃ সানাউল্লাহ, সদস্য।
অনুষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।