January 8, 2026, 2:17 pm
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

“দেশের মানুষ নির্বাচনমুখী, এখন স্থগিত চাওয়ার সময় নয়”

নিজস্ব প্রতিবেদক :

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা রিট উত্থাপিত হয়নি—এই মর্মে খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। আদালত মন্তব্য করেছে, “দেশের মানুষ এখন নির্বাচনমুখী। এ সময় নির্বাচন স্থগিত চাওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।” সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি রিয়াজ উদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

রিটকারী আইনজীবীর সরে দাঁড়ানো

রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, “আদালতের মনোভাব বুঝে জাতির বৃহত্তর স্বার্থে রিট নট প্রেস করেছি। এটি আর চালাব না।” ৩ ডিসেম্বর দায়ের করা এই রিটে জাতীয় নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিতসহ নির্বাহী বিভাগ থেকে নির্বাচন কমিশনের সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগকে অবৈধ ঘোষণা করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে ইলেক্টোরাল সার্ভিস কমিশন গঠনের আবেদনও করা হয়।

রিটের মূল যুক্তি কী ছিল?

রিটে বলা হয়— সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের, কিন্তু বাস্তবে নির্বাহী বিভাগই নির্বাচন পরিচালনা করছে, যার ফলে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়। আইনজীবী ইয়ারুল ইসলাম দাবি করেন, নির্বাহী বিভাগ তাদের “আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে”, তাই ইসির নিজস্ব লোকবল থেকে সচিব ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিতে হবে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকার ও ইসি ডিসিদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন পরিচালনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। “তাদের হাতে দায়িত্ব দিলে আবারও প্রভাবিত নির্বাচন হবে,” মন্তব্য করেন তিনি।

রিটে যাদের বিবাদী করা হয়েছিল

প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। রিটে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল— জেলা প্রশাসক ও ইউএনওকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা করার সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *