April 6, 2026, 11:57 pm
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

খেলাপি ঋণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রভিশন ঘাটতি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণের কারণে বাড়ছে প্রভিশন ঘাটতির চাপ। ঋণ জালিয়াতি, অব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য অনিয়মের কারণে ব্যাংকগুলো খেলাপি ঋণের বিপরীতে পর্যাপ্ত প্রভিশন রাখতে পারছে না। ফলে ব্যাংকের নীতি ও নিরাপত্তা ঝুঁকির সংকেত পাওয়া যাচ্ছে।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর শেষে দেশের ব্যাংক খাতের মোট প্রভিশন বা নিরাপত্তা সঞ্চিতি ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো তাদের আয়ের থেকে খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন রাখে: নিম্নমানের ঋণ: ২০% প্রভিশন, সন্দেহজনক ঋণ: ৫০% প্রভিশন, মন্দ ঋণ: ১০০% প্রভিশন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, ব্যাংকগুলো প্রভিশন রাখার প্রয়োজন ছিল ৪ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা, কিন্তু তারা রাখতে পেরেছে মাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এর ফলে তিন মাসে প্রভিশন ঘাটতি বেড়েছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা। বাড়তি খেলাপি ঋণ ও প্রভিশন রাখার কারণে ব্যাংকগুলোর স্থগিত সুদ ও আয় খাতও প্রভাবিত হচ্ছে। জুনে প্রভিশন ও স্থগিত সুদের মিলে স্থিতি ছিল ২ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা, যা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেড়ে ২ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা হয়েছে।

খেলাপি ঋণ পরিস্থিতি:
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর: ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, মোট ঋণের ৩৫.৭৩%
২০২৫ সালের জুন: ৬ লাখ ৮ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা, মোট ঋণের ৩৪.৪০%
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর: ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা, মোট ঋণের ১৬.৯৩%

এক বছরে খেলাপি ঋণ প্রায় দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গত সরকারের সময়ে নীতিসহায়তার সুযোগে খেলাপি ঋণ আংশিকভাবে লুকিয়ে রাখা হতো। বড় ঋণগ্রহীতারা ঋণসীমা বাড়িয়ে বা নতুন নামে ঋণ নিয়ে খেলাপি ঋণ নিয়মিত দেখাতো। তবে ২০২৪ সালের আগস্টের পর এই ধরনের সুযোগ প্রায় বন্ধ হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *