নিজস্ব প্রতিবেদক :
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগের মামলায় যুক্তিসঙ্গত শাস্তির বিধান প্রণয়নের জন্য কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। রুলের জবাব দিতে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলটি জারি করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি আদালতে হয়েছে, যেখানে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া।
এর আগে, ৩০ নভেম্বর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগের মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। জনস্বার্থে রিটটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া।
রিটের বিষয়ে অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া জানান, “বর্তমানে বাংলাদেশ পেনাল কোডে এই ধরনের মামলায় সর্বোচ্চ দুই বছরের সাজা ধার্য করা আছে। নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনেও একই বিধান রয়েছে। কিন্তু আমরা মনে করি, এটি যথেষ্ট নয়। এই কম সাজা অনেককে মহান আল্লাহ ও আমাদের নবীর প্রতি কটূক্তি করার সাহস জুগাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “রিটে আমরা দাবি করেছি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগের মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান প্রণয়নের নির্দেশ হাইকোর্ট দিক। এটি থাকলে কেউ সহজে এই ধরনের অপরাধ করতে পারবে না।”