January 12, 2026, 8:45 am
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

চলতি মাসেই চালু হচ্ছে র‌্যাপিড পাস টপআপ, কী পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের?

নিজস্ব প্রতিবেদক :

গণপরিবহনে স্মার্ট ব্যবস্থাপনা এগিয়ে নিতে চলতি মাসেই চালু হচ্ছে মোবাইল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে র‌্যাপিড পাস টপআপ সুবিধা। এই নতুন সংযোজনের ফলে যাত্রীরা মোবাইল থেকেই রিচার্জ করতে পারবেন তাদের র‌্যাপিড পাস কার্ড। ভবিষ্যতে একই কার্ড দিয়ে ইউটিলিটি বিল থেকে শুরু করে টোল পরিশোধও করার পরিকল্পনা রয়েছে—যা একীভূত পেমেন্ট সিস্টেম গঠনে বড় পদক্ষেপ হতে পারে। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, র‌্যাপিড পাসকে যদি সত্যিকার অর্থে একটি ইউনিক মাল্টিফাংশনাল কার্ডে পরিণত করা যায়, তাহলে সরকারি রাজস্ব সংগ্রহ হবে সহজতর, আর নাগরিকরাও পাবেন দ্রুত ও ঝামেলাহীন সেবা। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন—তথ্য সুরক্ষা ও কার্ড ব্যবস্থাপনার মান ঠিক না থাকলে প্রকল্পের কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

বাংলাদেশে গণপরিবহনের ডিজিটাল ভাড়া প্রদানের যাত্রা শুরু ২০১২ সালে, যখন জাইকার সহায়তায় বিআরটিসি বাসে এস-পাস চালু হয়। এরপর ২০১৫ সালে ডিটিসিএ নেয় একীভূত টিকেটিং সিস্টেমের প্রকল্প। ২০১৭ সালে সীমিত আকারে র‌্যাপিড পাস চালু হলেও বড় পরিসরে ছড়িয়ে দিতে ব্যর্থ হয় সরকার। ২০১৮ সালে পাওয়া আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাস্তবায়নে করোনাসহ বিভিন্ন কারণে ধাক্কা লাগে। বহু জটিলতা পেরিয়ে ২০২২ সালের নতুন প্রকল্প চূড়ান্ত রূপ পায় এ বছরের জুলাইয়ে। তবে প্রচারণার অভাবে এখনো খুব স্বল্পসংখ্যক যাত্রী র‌্যাপিড পাস ব্যবহার করেন।

ডিটিসিএ জানিয়েছে—এমএফএস-ভিত্তিক রিচার্জ চালুর পাশাপাশি র‌্যাপিড পাসের সঙ্গে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড যুক্ত করার প্রক্রিয়াও চলছে। এতে টোলসহ অন্যান্য সেবার মূল্যও একই কার্ডে পরিশোধ করা যাবে।
ডিটিসিএর নির্বাহী প্রধান নীলিমা আখতার বলেন, ‘সম্প্রতি আমরা সনির সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারা ক্রেডিট কার্ড ইনসার্ট করার প্রস্তাব দিয়েছে। আমরা যেটা এখন টপআপ হিসেবে চালু করছি, তা ভবিষ্যতে সব জায়গায় ব্যবহারযোগ্য হবে।’

পরিবহন ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, র‌্যাপিড পাস ঠিকভাবে বাস্তবায়ন হলে সরকার ও জনগণ—দুই পক্ষই লাভবান হবে। অধ্যাপক ড. শামসুল হক বলেন, ‘যদি জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো একটি ইউনিক কার্ড ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা যায়, তাহলে নাগরিক সুবিধা এক জায়গায় আনা সম্ভব হবে, সরকারের রাজস্ব আহরণও সহজ হবে।’বিশেষজ্ঞ সাইফুন নেওয়াজ মনে করিয়ে দেন—যেহেতু ডিজিটাল পেমেন্ট বিভিন্ন ঝুঁকির মুখে থাকতে পারে, তাই সিস্টেম হ্যাকিং বা নিরাপত্তা ভঙ্গের সম্ভাবনা রোধে বাড়তি সতর্ক হতে হবে। ২০২২ সালে একীভূত টিকেটিং সিস্টেমের জন্য নেওয়া ক্লিয়ারিং হাউস প্রকল্পের ফেইজ টু’র মেয়াদ শেষ হয়েছে এ বছরের জুলাইয়ে। বাকি কাজ ডিটিসিএর তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন করতে যাতায়াত মন্ত্রণালয় সময় বাড়িয়েছে আরও ছয় মাস।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *