January 8, 2026, 2:18 pm
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

মেজর সিনহাকে হত্যা: পাজরে পা দিয়ে চাপ দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন ওসি প্রদীপ

মেজর সিনহাকে হত্যা: পাজরে পা দিয়ে চাপ দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন ওসি প্রদীপ জেডটিভি বাংলা ডেস্ক: মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাসই ছিলেন এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও মাস্টারমাইন্ড। রায়ে বলা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সিনহার বাম পাজরে জুতা পরা পা দিয়ে জোরে চাপ দিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন প্রদীপ। রোববার (২৩ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৩৭৮ পৃষ্ঠার এই পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বরখাস্তকৃত সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) লিয়াকত আলী সরকারি পিস্তল দিয়ে টানা চারটি গুলি ছুড়েছিলেন, যেগুলো মেজর সিনহার শরীরের ওপরের অংশে লাগে। এর আগে হাইকোর্ট ট্রায়াল কোর্টের রায় বহাল রেখে ওসি প্রদীপ ও এসআই লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একইসঙ্গে মামলার আরও ছয়জনের যাবজ্জীবন সাজাও বহাল রাখা হয়েছে। ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত এই মামলার রায় দেয়। আদালত তখন ওসি প্রদীপ ও এসআই লিয়াকতকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স, আপিল এবং ট্রায়াল কোর্টের রায় চ্যালেঞ্জের শুনানি শেষে গত ২ জুন হাইকোর্ট চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। ২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফের মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা। ঘটনার পর সারা দেশে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে তদন্তের ভিত্তিতে এ মামলা দায়ের করা হয়।

জেডটিভি বাংলা ডেস্ক:

মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাসই ছিলেন এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও মাস্টারমাইন্ড। রায়ে বলা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সিনহার বাম পাজরে জুতা পরা পা দিয়ে জোরে চাপ দিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন প্রদীপ।

রোববার (২৩ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৩৭৮ পৃষ্ঠার এই পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।

রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বরখাস্তকৃত সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) লিয়াকত আলী সরকারি পিস্তল দিয়ে টানা চারটি গুলি ছুড়েছিলেন, যেগুলো মেজর সিনহার শরীরের ওপরের অংশে লাগে।

এর আগে হাইকোর্ট ট্রায়াল কোর্টের রায় বহাল রেখে ওসি প্রদীপ ও এসআই লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একইসঙ্গে মামলার আরও ছয়জনের যাবজ্জীবন সাজাও বহাল রাখা হয়েছে।

২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত এই মামলার রায় দেয়। আদালত তখন ওসি প্রদীপ ও এসআই লিয়াকতকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন।

হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স, আপিল এবং ট্রায়াল কোর্টের রায় চ্যালেঞ্জের শুনানি শেষে গত ২ জুন হাইকোর্ট চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফের মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা। ঘটনার পর সারা দেশে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে তদন্তের ভিত্তিতে এ মামলা দায়ের করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *