April 6, 2026, 11:50 pm
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

শিক্ষকের বিতর্কিত মন্তব্যে মধ্যরাতে বিক্ষোভে উত্তাল রাবি

শিক্ষকের বিতর্কিত মন্তব্যে মধ্যরাতে বিক্ষোভে উত্তাল রাবি

রাজশাহী সংবাদদাতা,

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আ. আল মামুনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টকে কেন্দ্র করে সোমবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ হয়। ছাত্ররা জোহা চত্বর থেকে বিক্ষোভ শুরু করে এবং পরে হল এলাকার সামনে অবস্থান নেয়।

অধ্যাপকের পোস্টে রাকসু হল সংসদের নারীদের শপথ গ্রহণের একটি ছবির উপর লেখা মন্তব্যকে অশোভন ও নিন্দনীয় আখ্যা দিয়ে অনেকে সমালোচনা শুরু করলে বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেই পোস্ট অধ্যাপক নিজেই মুছে ফেলেন। তা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ভরে বিক্ষোভে নামে।

বিক্ষোভকারীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ‘মামুনের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’, ‘মদখোরের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘তোমার আমার পরিচয়, হিজাব হিজাব’সহ নানা স্লোগান দেয়। হোলগুলোর সামনে থেকে আরও শিক্ষার্থী বিক্ষোভে যোগ দেন।

রাকসু মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা হাফসা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে হিজাব বিদ্বেষীদের জন্য অসহ্য পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। তারা বলায়, হিজাবধারণকারীরা মর্যাদাহীন মন্তব্যের শিকার হচ্ছেন; তাই এমন মন্তব্যকারীদের প্রতিহত করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, “আমরা চাই, তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইবেন; নতুবা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে বহিষ্কার করতে হবে।”

রাকসু সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার অভিযোগ, অধ্যাপকের কথাবার্তা শিক্ষার্থীদের, বিশেষত হিজাবধারী মেয়েদের মর্যাদা আঘাত করেছে। তিনি বলেন, “যে মন্তব্য করেছেন তার জন্য তাকে ব্যবস্থা নিতে হবে; আগামীকাল জার্নালিজম বিভাগের সামনে আমরা অবস্থান নেব এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবিলম্বে তাকে শোকজ করতে হবে।”

বিক্ষোভ শেষ করে শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি বলেছে— অধ্যাপককে ক্ষমা চাওয়াতে হবে কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা অধ্যাপকের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *