January 9, 2026, 10:28 am
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

নির্বাচনের আগে আইএমএফ কিস্তি নয়, অপেক্ষায় রাজনৈতিক সরকারের নিশ্চয়তা

জেডটিভি বাংলা ডেস্ক :

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশকে দেওয়া ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি (৮০ কোটির বেশি ডলার) ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে ছাড় করার কথা থাকলেও, তা আপাতত স্থগিত করেছে সংস্থাটি। কারণ, আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর গঠিত রাজনৈতিক সরকার আইএমএফের শর্তগুলো মেনে চলবে—এমন নিশ্চয়তা চায় তারা।ওয়াশিংটনে আইএমএফ-ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে এ বার্তা বাংলাদেশ প্রতিনিধিদের জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।

রিভিউ মিশন আসছে ২৯ অক্টোবর:

সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, কিস্তি ছাড়ের আগে আইএমএফ একটি মূল্যায়ন মিশন পাঠায়। সেই অনুযায়ী, ২৯ অক্টোবর প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরে আসছে। তারা সরকারের শর্ত পূরণের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে মূল দপ্তরে প্রতিবেদন জমা দেবে। সেই রিপোর্টের ওপর নির্ভর করবে ঋণের অর্থ ছাড়ের সিদ্ধান্ত। অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ষষ্ঠ কিস্তির শর্তের মধ্যে কেবল রাজস্ব আহরণে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি, বাকিগুলো বাস্তবায়িত হয়েছে।

গভর্নরের সতর্কতা, কিস্তি বিলম্ব হতে পারে :

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, “আমরা সব শর্ত পূরণ করলেও সময়মতো অর্থ পেতে নাও পারি। নতুন রাজনৈতিক সরকার এই কর্মসূচি মেনে চলবে কি না, সেটি নিশ্চিত হওয়ার পরই তারা কিস্তি ছাড় করবে।” অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিনও জানান, “কিস্তি ছাড় মার্চ বা এপ্রিলের দিকে গিয়ে ঠেকতে পারে।”

ঋণ না এলেও অর্থনীতি ঝুঁকিতে নয় :

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র বলছে, ষষ্ঠ কিস্তি না এলে দেশের অর্থনীতিতে বড় কোনো প্রভাব পড়বে না। কারণ:

  • রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৬% প্রবৃদ্ধি
  • জুলাই-সেপ্টেম্বরে রপ্তানিতে গড় প্রবৃদ্ধি ৫.৫%
  • আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে
  • বৈদেশিক বকেয়া ঋণ নেমেছে সিঙ্গেল ডিজিটে
  • রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২১৪ কোটি ডলারে
  • চলতি হিসাব দীর্ঘ ঘাটতির পর উদ্বৃত্তে ফিরেছে

পেছনের প্রেক্ষাপট :

২০২২ সালের শেষদিকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের সময় বাংলাদেশ আইএমএফের কাছে ঋণ চায়।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদিত হয়। পরবর্তীতে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আরও ৮০ কোটি ডলার যোগ হয়ে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫৫০ কোটি ডলারে।
ইতোমধ্যে ৫ কিস্তিতে ৩৬০ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *