April 7, 2026, 2:36 pm
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

জুলাই আন্দোলন দমনে ৩ লাখের বেশি গুলি ছোড়া হয়েছিল: ট্রাইব্যুনালে তদন্ত কর্মকর্তা

জুলাই আন্দোলন দমনে ৩ লাখের বেশি গুলি ছোড়া হয়েছিল: ট্রাইব্যুনালে তদন্ত কর্মকর্তা

অনলাইন ডেস্ক

২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান দমনে পরিকল্পিতভাবে অতিরিক্ত অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর এক তদন্ত কর্মকর্তা। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে মামলার ৫৪ নম্বর সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে এ তথ্য তুলে ধরেন তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর।

আলমগীর জানান, পুলিশ সদর দপ্তরের একটি ২১৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে দেখা যায়—সেই সময়ে সারাদেশে মোট ৩ লাখ ৫ হাজার ৩১১ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছিল। শুধু ঢাকাতেই ছোড়া হয় প্রায় ৯৫ হাজার ৩১৩ রাউন্ড।
এ অভিযানে ব্যবহৃত অস্ত্রের তালিকায় ছিল এলএমজি, এসএমজি, চাইনিজ রাইফেল, শটগান, রিভলভার ও পিস্তল।

তদন্ত কর্মকর্তা তার সাক্ষ্যে দাবি করেন, সংগ্রহ করা বিভিন্ন আলামত, পত্রপত্রিকা, ভিডিও ও অডিও প্রমাণ, প্রত্যক্ষদর্শী ও শহীদ পরিবারের সাক্ষ্য, এমনকি আসামিদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে স্পষ্ট হয়—তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন পরিকল্পিতভাবে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেছিলেন।

আলমগীর বলেন, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়কালে জনতাকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে প্রাণনাশের কোনো ঘটনা ঘটবে না। কিন্তু বাস্তবে শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর প্রাণঘাতী অস্ত্র চালানো হয়।
তার অভিযোগ, শুধু গুলি ছোড়া নয়, বরং অপহরণ, নির্যাতন, মিথ্যা মামলা, সংবেদনশীল তথ্য বিকৃত করা, শহীদদের মৃতদেহ দ্রুত দাফন এবং নানা ভয়ঙ্কর কার্যক্রমও সংঘটিত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *