January 8, 2026, 2:13 pm
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

যে কৌশলে সেনানিবাসে আশ্রয় নেন সাবেক আইজিপি

যে কৌশলে সেনানিবাসে আশ্রয় নেন সাবেক আইজিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক,
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন গত ৫ আগস্ট হাসিনা সরকার পতনের দিন কীভাবে সেনানিবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন তার বর্ণনা দিয়েছেন।

আদালতে দেওয়া তার জবানবন্দির নথিতে উঠে এসেছে এমন তথ্য। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) আদলত সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জবানবন্দিতে মামুন বলেন, ১৯ জুলাই থেকে প্রায় প্রতি রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বাসায় বৈঠক হতো। বৈঠকে অংশ নিতেন দুজন সচিব, এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির হারুন অর রশীদ, র‌্যাবের ডিজি, আনসারের ডিজি, এনটিএমসির জিয়াউল আহসানসহ সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা। এসব বৈঠক থেকেই সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের নির্দেশনা ও পরামর্শ দেওয়া হতো।

সাবেক আইজিপি আরও বলেন, সরকারের ‘কোর কমিটির’ এক বৈঠকে সমন্বয়কদের গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্ত হয়। সেই অনুযায়ী ছয় সমন্বয়ককে আটক করে নেওয়া হয় ডিবি কার্যালয়ে। সেখানে তাদের ওপর মানসিক চাপ প্রয়োগ ও নির্যাতন চালানো হয়। আন্দোলন প্রত্যাহারে তাদের গণমাধ্যমে বিবৃতি দিতে বলা হয়।

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার প্রধান হারুন অর রশীদকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘জিন’ বলে ডাকতেন। কারণ, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তাকেই সবচেয়ে কার্যকর মনে করা হতো।

সরকার পতনের দিন কীভাবে তিনি সেনানিবাসে আশ্রয় নেন, তাও উল্লেখ করেন সাবেক আইজিপি। বলেন, ৫ আগস্ট বিকেলে একটি হেলিকপ্টার আসে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে। সেই হেলিকপ্টারে তিনি তেজগাঁও বিমানবন্দরে যান, সেখান থেকে সরাসরি সেনানিবাসে আশ্রয় নেন।

গত ১০ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার করে নেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। সব দোষ স্বীকার করে সাবেক এই পুলিশ মহাপরিদর্শক বলেন, আমি এ মামলার বিষয়ে বিস্তারিত ট্রাইব্যুনালের সামনে তুলে ধরতে চাই।

এরপর এ মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন তিনি। পরে ট্রাইব্যুনাল এটি মঞ্জুর করেন। পাশাপাশি কারাগারে তাকে নিরাপত্তার জন্য আলাদা কক্ষে রাখার নির্দেশ দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *