April 10, 2026, 8:47 pm
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিয়াউর রহমানের পথেই হাঁটছেন: ফারুকী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ফেসবুক পোস্ট। ছবি: সংগৃহীত

বিনোদন প্রতিবেদক | ztvbangla.com প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ঢাকা: অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমসাময়িক রাজনীতি ও সংস্কৃতি নিয়ে প্রায়ই নিজের মতামত প্রকাশ করেন। এবার দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তারেক রহমান তার পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো আদর্শিক পথেই হাঁটছেন।

মোনাজাত ও শহীদ মিনারের স্মৃতি

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে ফারুকী ১৯৫৩ সালের একটি ঐতিহাসিক ছবির প্রসঙ্গ টেনে আনেন, যেখানে প্রভাত ফেরি শেষে মানুষকে মোনাজাতরত অবস্থায় দেখা গেছে। এর পর দিনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শহীদ মিনারে মোনাজাত আদায় করতে দেখা যায়। এই বিষয়টি ফারুকীর নজরে আসে।

ফারুকী লেখেন, “অনেক দিন ধরে শুনতেছিলাম, তারেক রহমান এখন আর জিয়াউর রহমানের লাইনে নাই। আমি তো দেখলাম, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর উনি পরিষ্কার প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পথেই হাঁটছেন।”

জিয়াউর রহমানের সেই ‘পথ’ কী?

জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের ব্যাখ্যা দিয়ে ফারুকী বলেন, সেই পথটি হলো—নিজের ধর্মীয় পরিচয়, আচার ও রীতি না লুকিয়েই একটি বহু জাতি, ধর্ম ও ভাষার মানুষের রিপাবলিক বা প্রজাতন্ত্র গড়ে তোলা। যেখানে মানুষ শহীদ মিনারে ফুল দেবে, চাইলে মোনাজাতও করবে, আবার ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানটিও গাইবে।

তিনি আরও যোগ করেন, এমন একটি দেশ যেখানে মানুষ নিজের স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে যেমন গৌরব করবে, তেমনি স্বাধীনতা রক্ষার প্রয়োজনে ‘চব্বিশ’ (২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান) ঘটিয়ে দিতেও দ্বিধা করবে না।

সাংস্কৃতিক সংকটের দিকে ইঙ্গিত

ফারুকী তার স্ট্যাটাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি জানতে চেয়েছেন, কেন বা কারা আমাদের সম্মিলিত স্মৃতি (Collective Memory) থেকে এই মোনাজাতের বিষয়টি মুছে দিতে চেয়েছিল? তার মতে, এই মুছে ফেলার রাজনীতিই বাংলাদেশের বর্তমান অনেকগুলো সাংস্কৃতিক সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ।

ফারুকীর এই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই তার এই বিশ্লেষণকে সময়োপযোগী বলে মন্তব্য করেছেন।


নিউজ সোর্স: একেএস/জেডটিভি বাংলা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *