নিজস্ব প্রতিবেদক :
বছরের শেষ সময়ে নিম্নমানের পাঠ্যবই ছাপানোর অভিযোগে অর্ধশতাধিক ছাপাখানার ২০ লাখেরও বেশি বই বাতিল করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। বাতিল করা বইগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা। এসব বই কাটিং মেশিনে কেটে ফেলা হয়েছে। এছাড়া তিন হাজার টনের বেশি নিম্নমানের কাগজও অনুমোদন না করে বাতিল করা হয়েছে।
এনসিটিবি সূত্র জানায়, ফর্মা মিসিং, ডাবল ফর্মা, পতাকা পরিবর্তন, বাঁধাইয়ে ত্রুটি, আলট্রা ভার্নিশ না থাকা ও অন্যান্য অনিয়মের কারণে এসব বই বাতিল করা হয়েছে। টেন্ডারের শর্ত অনুযায়ী বইয়ের কাগজ হতে হবে ১০০ শতাংশ ভার্জিন পাল্পের, কিন্তু অনেক ছাপাখানায় ২০ শতাংশ ভার্জিন ও ৮০ শতাংশ রিসাইকেলড পাল্প ব্যবহার করা হয়েছে।
এনসিটিবির সদস্য অধ্যাপক ড. রিয়াদ চৌধুরী জানিয়েছেন, পাঠ্যবইয়ের মানে কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। ইতোমধ্যে অর্ধশতাধিক ছাপাখানার বিপুলসংখ্যক বই বিনষ্ট করা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বই প্রি-ডিস্ট্রিবিউশন এজেন্টরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন পর্যায়ে মনিটরিং করে বই জব্দ ও বিনষ্ট করা হচ্ছে। সঠিক তদন্ত ও নজরদারির মাধ্যমে ভবিষ্যতে নিম্নমানের বই ছাপানোর চেষ্টা রোধ করা হবে।