April 7, 2026, 8:22 am
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

সংঘাতের মধ্যেও আলোর উৎসবে মেতেছে মিয়ানমার

সংঘাতের মধ্যেও আলোর উৎসবে মেতেছে মিয়ানমার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বর্ষা শেষে আলোর রোশনাইয়ে মুখর মিয়ানমার। চলমান সশস্ত্র সংঘাত ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেও দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী তাজাউংদাইং উৎসব— নাচ, আলোকসজ্জা, আতশবাজি আর রঙিন ফানুশ উড়িয়ে বর্ষাকে বিদায় জানাচ্ছে জনগণ।

গত মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) থেকে রাজধানী নেইপিদোসহ সারাদেশে চলছে উৎসবের আমেজ। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ ও স্থানীয় সংগঠনগুলো অংশ নিচ্ছে বর্ণাঢ্য আয়োজন ও প্রতিযোগিতায়।

আলোর এই উৎসব মিয়ানমারের অন্যতম জনপ্রিয় ঐতিহ্য, যা প্রতিবছর নভেম্বর মাসে বর্ষা শেষে পালিত হয়। বাঁশ ও কাগজে তৈরি রঙিন ফানুশ উড়িয়ে রাতের আকাশ ভরে ওঠে আলোয়। এবারের উৎসবে নেইপিদোতে সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ১৪টি বিশাল ফানুশ আকাশে ওড়ানো হয়।

ঐতিহাসিকভাবে ব্রিটিশ আমলে শুরু হওয়া তাজাউংদাইং উৎসব এখন জাতীয় ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। শান প্রদেশের তাউংগি শহরকে এই উৎসবের মূল কেন্দ্র হিসেবে ধরা হয়, যদিও দেশজুড়েই পালিত হয় বেলুন উৎসব, নাচগান ও আতশবাজির আয়োজন।

তবে আনন্দের এই রঙিন উৎসবের আড়ালেও রয়ে গেছে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাস্তবতা। একদিকে গৃহযুদ্ধ, অন্যদিকে ডিসেম্বরের নির্ধারিত নির্বাচনকে ঘিরে চলছে রাজনৈতিক টানাপোড়েন। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ— সামরিক সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বৈধ করার চেষ্টা করছে।

২০২৩ সালে ক্ষমতাচ্যুত অং সান সুচির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) এবং আরও বহু দলকেই বাতিল ঘোষণা করেছে সামরিক জান্তা। ফলে দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, আলোর উৎসবেও যেন ছায়া ফেলছে অনিশ্চয়তার অন্ধকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *