আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
লন্ডন – প্রিন্স অ্যান্ড্রুর যৌন কেলেঙ্কারির কারণে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মর্যাদা এখন কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে। জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে প্রিন্স অ্যান্ড্রুকে তার রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে হয়েছে। রাজা তৃতীয় চার্লস তাকে প্রাসাদ থেকে বিতাড়িত করেছেন।
তবে ইতিহাস প্রমাণ করে, ব্রিটিশ রাজপরিবারের বিতর্ক নতুন নয়। রাজপরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময়ে পরকীয়া, বহুগামিতা ও সমকামিতার মতো কারণে বিব্রত হয়েছেন, যা ব্রিটিশ সমাজ ও রাজনীতিতে প্রভাব ফেলেছে।
রাজা চার্লস নিজেও বিতর্কের বাইরে নন। ১৯৮৯ সালে প্রিন্সেস ডায়ানার সঙ্গে বিবাহের সময় চার্লস পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছিলেন রানী ক্যামেলিয়ার সঙ্গে। ১৯৯৩ সালে তাদের অন্তরঙ্গ কথোপকথনের রেকর্ড প্রকাশ পেলে, তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে।
প্রেম ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে রাজপরিবারের অন্যান্য সদস্যও বিতর্কে জড়িয়েছেন। ১৯৩৬ সালে রাজা অষ্টম এডওয়ার্ড মার্কিন বিধবা ওয়ালিস সিম্পসনের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে রাজ্য ত্যাগ করতে বাধ্য হন। একইভাবে, দ্বিতীয় এডওয়ার্ড সমকামিতার অভিযোগে রাজদরবারে তোলপাড় সৃষ্টি করেন।
এছাড়া ইতিহাসে ১০ম শতাব্দীর কিশোর রাজা এডউইগও বিতর্কে পড়েছিলেন মাতাল অবস্থায় অনৈতিক আচরণের কারণে।
রাজপরিবারের এসব ঘটনা প্রমাণ করে, ব্যক্তিগত কেলেঙ্কারি ও সম্পর্কের কারণে তাদের মর্যাদা ও রাজনৈতিক প্রভাবের জন্য বারবার চ্যালেঞ্জ এসেছে। প্রিন্স অ্যান্ড্রুর বর্তমান কেলেঙ্কারি সেই দীর্ঘ তালিকার সাম্প্রতিক উদাহরণ।