May 23, 2026, 7:49 am
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

থানা হাজতে আসামিকে ভিআইপি সুবিধা, মোবাইল ও মাদকদ্রব্য দেয়ার অভিযোগ,ওসিকে প্রত্যাহার

থানা হাজতে আসামিকে ভিআইপি সুবিধা, মোবাইল ও মাদকদ্রব্য দেয়ার অভিযোগ,ওসিকে প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট থানা নিয়ে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। থানার হাজতে রাখার বদলে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে দেওয়া হয়েছিল আলাদা কক্ষ, খাট-বালিশ, সিগারেট এমনকি মোবাইলে কথা বলার সুযোগও। বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় সমালোচনার ঝড় ওঠে, আর এর জেরেই প্রত্যাহার করা হয়েছে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আলমকে।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) তানভীর হোসেন।

জানা গেছে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে সাজাপ্রাপ্ত আসামি লিটন হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয়। নিয়ম অনুযায়ী তাকে হাজতে রাখার কথা থাকলেও, ওসির নির্দেশে তাকে বিশেষ কক্ষে রাখা হয়। সেখানে খাট-বিছানা দিয়ে আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করা হয়। এমনকি সিগারেট ও মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুযোগও দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার এ ঘটনার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। নানা প্রশ্ন ওঠে পুলিশের ভূমিকা ও ন্যায়বিচার নিয়ে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি মাকসুদ আলম দাবি করেন, আসামি অসুস্থতার কথা বলায় তাকে আলাদা কক্ষে রাখা হয়েছিল। তবে ভিআইপি সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ তার জানা নেই।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভীর হোসেন বলেন, “ঘটনার পর ওসি মাকসুদ আলমকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—“আইনের চোখে সবাই সমান, তবে থানায় এভাবে বিশেষ সুবিধা কেন?”।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *