February 19, 2026, 10:34 pm
Headline :
ডিজিটাল দুনিয়ায় ফিরল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়: ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের পাশাপাশি চালু হলো ওয়েবসাইট জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহবায়ক ও জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘জুলাই যে তারুণ্য শক্তি বাংলাদেশে পথ দেখিয়েছে আমরা তার প্রতিফলন এই মন্ত্রিসভায় দেখতে পাইনি। মন্ত্রিসভা গঠনে কিন্তু কোন নতুন উত্তর পাইনি।’  সড়ক, রেল ও নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন রাজিব আহসান নোয়াখালীতে মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রশিবিরের র‍্যালি দেশবাসীকে রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন মাসুদের রহমান বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে ডাক পেয়েছেন ৪৯ জন এমপি। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রী হচ্ছেন সিলেটের মুক্তাদীর বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা: রাজপথের লড়াকু ছাত্রদল কি তবে অবহেলিতই থাকছে? বাগেরহাটের ৪টি আসনে বিএনপি পেল একজন ধানের শীষের কাণ্ডারি ববি হাজ্জাজকে শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী

রাষ্ট্রপতির ক্ষমা নয়, আইনি লড়াইয়েই নির্দোষ প্রমাণিত হলেন খালেদা জিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক :

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’ মামলায় সাত বছর এবং ‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট’ মামলায় দশ বছরের দণ্ড রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করে দেন। তবে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া সে প্রক্রিয়ায় মুক্ত থাকতে রাজি হননি। বরং তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। দীর্ঘ শুনানি-পর্ব শেষে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে দুটি মামলাতেই বেকসুর খালাস পান তিনি।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, রাষ্ট্রপতির মওকুফের পরও কেন আপিল চালিয়ে যাওয়া হলো—এ প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। তাঁদের বক্তব্য, খালেদা জিয়া আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল; “ক্ষমা” নয়, তিনি চেয়েছেন আদালতের রায়ে নিজের নির্দোষিতা প্রতিষ্ঠা করতে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা

২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলাটি করে দুদক। অভিযোগ ছিল—ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকার লেনদেন। তদন্ত শেষে ২০১2 সালে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গঠন করা হয়।
২০১৮ সালের ১৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার কারাগার প্রাঙ্গণে স্থাপিত বিশেষ আদালত খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেন। একই সাজা পান আরও তিন আসামি—হারিছ চৌধুরী (প্রয়াত), জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খান।

আপিলের পর ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর হাইকোর্ট খালাস দেন সকল আসামিকে। পরে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদক লিভ টু আপিল করলে ২০২৫ সালের ৩ মার্চ আপিল বিভাগ সেটি খারিজ করে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিশেষ জজ আদালত এই মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে দণ্ড দেন। পরে দুদকের আবেদনে একই বছরের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্ট খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করে।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০২৪ সালের ১১ নভেম্বর আপিল বিভাগ সাজার কার্যকারিতা স্থগিত করে। শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে খালেদা জিয়াকে খালাস দেয়।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, এটি ছিল “বিদ্বেষমূলক বিচার প্রক্রিয়া”—যেখানে বিচারিক আদালত ও হাইকোর্টের রায় বাতিল হয়েছে। যেসব আসামি আপিল করতে পারেননি, আদালত তাদেরও খালাস দিয়েছেন।

দুদকের আইনজীবী আসিফ হাসান জানান, আদালত মামলাটিকে প্রতিহিংসামূলক হিসেবে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট সকলকে খালাস দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *