January 5, 2026, 7:36 pm
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

জিদান খেলেছেন ফ্রান্সে, ছেলে যে কারণে আলজেরিয়ায়

স্পোর্টস ডেস্ক :

ফুটবল বিশ্বে কিংবদন্তি নাম জিনেদিন জিদান। ১৯৯৮ বিশ্বকাপ জয়ে নেতৃত্ব দেওয়া এই ফরাসি তারকা ২০০৬ সালেও ট্রফির দোরগোড়ায় ছিলেন। বাবার পথ ধরে ফুটবলে ক্যারিয়ার গড়েছেন তার ছেলে লুকা জিদান—তবে ভূমিকা ও জার্সিতে এসেছে বড় পার্থক্য। জিদান ছিলেন মাঝমাঠের জাদুকর, আর লুকা দাঁড়ান গোলপোস্টের নিচে। ফ্রান্সের ফুটবল লিজেন্ড দেশের হয়ে খেললেও লুকা এখন প্রতিনিধিত্ব করছেন আলজেরিয়ার হয়ে; যদিও তিনি ফ্রান্সের বয়সভিত্তিক দলেও খেলেছেন।

বর্তমানে চলমান আফ্রিকান নেশনস কাপে আলজেরিয়ার জার্সিতে খেলছেন লুকা। ফ্রান্সে জন্ম হলেও কেন আলজেরিয়াকে বেছে নিলেন—এ নিয়ে খুলে বললেন ২৭ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। তার দাদা আলজেরিয়ান হওয়ায় ফিফার নিয়ম অনুযায়ী নাগরিকত্ব পরিবর্তন করে আলজেরিয়ার হয়ে খেলার সুযোগ পান তিনি।

লুকা বলেন, “আমি যখনই আলজেরিয়ার কথা ভাবি, দাদার কথা মনে পড়ে। ছোটবেলা থেকেই পরিবারে আলজেরিয়ান সংস্কৃতি ছিল। জাতীয় দলে যোগ দেওয়ার আগে দাদার সঙ্গে কথা বলেছিলাম—তিনি খুব খুশি হয়েছিলেন। এখনো প্রতিবার আমাকে ফোন করে বলেন, আমি সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং তিনি আমার ওপর গর্বিত।”

আফকনে দারুণ সূচনা করেছে আলজেরিয়া। সুদানের বিপক্ষে ৩–০ গোলের জয়ে প্রথম ম্যাচে লুকাকে খুব একটা পরীক্ষা দিতে হয়নি। বুরকিনা ফাসোর বিরুদ্ধেও গোলরক্ষায় ছিলেন দেয়ালসম। ১৯৯৬ সালের পর প্রথম আলজেরিয়ান গোলকিপার হিসেবে টুর্নামেন্টের শুরুর দুই ম্যাচেই ক্লিনশিট রাখার কীর্তি গড়েছেন তিনি। গত অক্টোবরে উগান্ডার বিপক্ষে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া লুকা আগেই জানিয়েছিলেন—বাবার সঙ্গে ক্রমাগত তুলনায় না পড়তেই তিনি গোলরক্ষকের ভূমিকায় স্বচ্ছন্দ।

শুধু দাদা নয়, বাবাও সমর্থন দিয়েছেন তার এই সিদ্ধান্তে। সুদানের বিপক্ষে ম্যাচে গ্যালারিতে বসে ছেলের খেলা উপভোগ করেন জিনেদিন জিদান।

লুকা বলেন, “বাবা আমাকে সমর্থন করেছেন। বলেছেন—এটা তোমার নিজের সিদ্ধান্ত; পরামর্শ দিতে পারি, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তোমারই। কোচ ও ফেডারেশন যখন যোগাযোগ করল, তখনই বুঝেছিলাম—আমি আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে চাই। পরে পরিবারের সবার সঙ্গে কথা বলি, সবাই আমাকে উৎসাহ দিয়েছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *