ধর্ম ডেস্ক :
রমজানের মতোই রজব মাসকেও বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ মনে করেন অনেক মুসলমান। তাই এই সময়ে ওমরা আদায় করতে আগ্রহ থাকে। তবে ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে রজব মাসে ওমরাহ করা বৈধ হলেও এতে কোনো আলাদা ফজিলত বা অতিরিক্ত সওয়াব নেই।
কেন না?
কোরআন ও সহিহ হাদিসে এমন কোনো প্রমাণ নেই যা দেখায় রজব মাসে ওমরাহ করলে অন্য সময়ের তুলনায় বেশি সওয়াব পাওয়া যাবে। ওমরার সওয়াব মূলত নির্ভর করে নিয়ত ও আন্তরিকতার ওপর।
সম্মানিত চার মাস
বছরে ১২ মাসের মধ্যে চারটি মাসকে আল্লাহ তায়ালা বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ বা হারাম মাস ঘোষণা করেছেন— জিলকদ, জিলহজ, মহররম এবং রজব। তবে এই মর্যাদা মানেই এই মাসে সব ইবাদতের জন্য বিশেষ সওয়াব পাওয়া যাবে, এমন নয়।
রজব মাসে ওমরাহর হাদিস
রাসুলুল্লাহ (সা.) রজব মাসে ওমরাহ করেছেন—এমন কোনো সহিহ বর্ণনা পাওয়া যায় না। হজরত আয়েশা (রা.) স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, রাসুল (সা.) কখনো রজব মাসে ওমরাহ করেননি। আলেমরা এই থেকে বুঝেছেন, রজব মাসে ওমরাহর বিশেষ ফজিলতের দাবি গ্রহণযোগ্য নয়।
রমজানের সঙ্গে তুলনা
রমজান মাসে ওমরাহ করলে তা হজের সমতুল্য সওয়াব দেয়—তবে এটি রমজানের জন্য নির্ধারিত ফজিলত। রজব মাসে কোনো এ ধরনের ঘোষণা নেই।
শেষ কথা
রজব মাসে ওমরাহ করা পূর্ণ বৈধ, তবে শুধুমাত্র মাসটির কারণে অতিরিক্ত সওয়াব আশা করা ঠিক নয়। ওমরা একটি ফজিলতপূর্ণ ইবাদত, এবং নিয়ত খাঁটি থাকলেই বছরের যেকোনো সময় আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য।