February 19, 2026, 10:35 pm
Headline :
ডিজিটাল দুনিয়ায় ফিরল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়: ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের পাশাপাশি চালু হলো ওয়েবসাইট জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহবায়ক ও জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘জুলাই যে তারুণ্য শক্তি বাংলাদেশে পথ দেখিয়েছে আমরা তার প্রতিফলন এই মন্ত্রিসভায় দেখতে পাইনি। মন্ত্রিসভা গঠনে কিন্তু কোন নতুন উত্তর পাইনি।’  সড়ক, রেল ও নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন রাজিব আহসান নোয়াখালীতে মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রশিবিরের র‍্যালি দেশবাসীকে রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন মাসুদের রহমান বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে ডাক পেয়েছেন ৪৯ জন এমপি। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রী হচ্ছেন সিলেটের মুক্তাদীর বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা: রাজপথের লড়াকু ছাত্রদল কি তবে অবহেলিতই থাকছে? বাগেরহাটের ৪টি আসনে বিএনপি পেল একজন ধানের শীষের কাণ্ডারি ববি হাজ্জাজকে শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী

কেন প্রতিদিন কোরআন পড়া জরুরি: জেনে নিন মূল কারণগুলো

ধর্ম ডেস্ক :

কোরআন শুধু ইবাদত নয়, এটি মুসলমানের জীবনে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ ও মর্যাদা বৃদ্ধি করার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। কিয়ামতের দিন কোরআন মানুষের পক্ষে সাক্ষী দেবে, আর আল্লাহ প্রতিটি অক্ষরের বিনিময়ে মর্যাদা প্রদান করবেন। তাই প্রতিদিন কোরআন পড়া ও বোঝার চেষ্টা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য।

কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ কেন?

কোরআন তিলাওয়াত, তা নিয়ে চিন্তা ও জীবনে বাস্তবায়নের চেষ্টা মানুষকে নৈতিক ও সামাজিকভাবে গড়ে তোলে। নিয়মিত কোরআন পড়া ও তার আদেশ–নিষেধ মেনে চলা একটি ফরজ দায়িত্ব। কোরআনের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার মূল দিকগুলো হলো:

কোরআনকে আল্লাহর চিরন্তন বাণী হিসেবে মানা, নিয়মিত তিলাওয়াত ও তাজবিদ অনুযায়ী পড়া, তাফসির জানার চেষ্টা করা, অন্যদের শেখানো এবং মানুষকে আহ্বান জানানো, কিয়ামতের দিন কোরআন হবে সাক্ষী

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোরআন তোমার পক্ষে বা বিপক্ষে প্রমাণ হবে। যে কোরআনকে সামনে রাখবে, তা জান্নাতের পথ দেখাবে; যে তা পেছনে রাখবে, তা জাহান্নামের দিকে ঠেলে দেবে।

দুনিয়াতেও মর্যাদা বৃদ্ধি করে কোরআন

সহিহ মুসলিমে বর্ণিত এক ঘটনার মাধ্যমে দেখা যায়, আল্লাহর কিতাবের পাঠ ও দ্বীনের জ্ঞান ব্যক্তিকে সমাজে মর্যাদা দেয়। খলিফা ওমর (রা.) বলেছিলেন, আল্লাহ কিতাবের মাধ্যমে কিছু লোককে উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেন।

জান্নাতে উচ্চ মর্যাদার চাবিকাঠি

রাসুল (সা.) বলেন, “যে ব্যক্তি কোরআন শেখে এবং অন্যকে শেখায়, সে সবার মধ্যে উত্তম।” কোরআনের প্রতিটি আয়াত তিলাওয়াত করলে জান্নাতে সেই অনুযায়ী অবস্থান বৃদ্ধি পাবে।

শেষ কথা

মুসলমানদের জন্য কোরআন পড়া অপরিহার্য, বোঝার চেষ্টা আরও গুরুত্বপূর্ণ। আরবি তিলাওয়াতের সঙ্গে মাতৃভাষায় অনুবাদ পড়া ও আলেম বা অধ্যয়ন চক্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়া বোঝাপড়াকে গভীর করবে। কোরআনের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক শুধু ইবাদত নয়, এটি দুনিয়ার পথচলা ও আখিরাতের মুক্তির দিশারিও বটে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *