April 8, 2026, 3:41 am
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

১১ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই ভবন নির্মাণ, আতঙ্কে এলাকাবাসী

১১ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই ভবন নির্মাণ, আতঙ্কে এলাকাবাসী

অনলাইন ডেস্ক:

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার জয়পুর বাজারে অবৈধভাবে ১১ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক খুঁটির সংলগ্ন জমিতে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, খুঁটি রেখেই ইতোমধ্যে ভবনের ছাদ ঢালাইসহ অন্যান্য কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যা নিয়ে এলাকায় উদ্বেগ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা বলেন, ভবনের পাশে থাকা এই বৈদ্যুতিক খুঁটির কারণে যে কোনও সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্ব ও তদারকিরও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

ভবনটির মালিক সৌদি প্রবাসী জাকির হোসেন, যিনি জয়পুর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে, এক একর জমিতে নির্মাণ করছেন এই বহুতল ভবন। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, এক বছর আগে জাকির হোসেনের বাবা লাল মিয়ার তত্ত্বাবধানে কাজ শুরু হয়। সম্প্রতি নিচ তলার ছাদ ঢালাইয়ের পর খুঁটির সংলগ্ন কাজ নিয়ে সরেজমিনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ভবন মালিক লাল মিয়া জানান, “বিদ্যুৎ অফিসে সরাসরি কাজের জন্য আবেদন করতে গেলে ঝামেলা ও ব্যয় হওয়ার ভয় ছিল, তাই আগে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতে খুঁটি সরানোর জন্য আবেদন করা হবে।”

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ বিভাগের সাব-জোনাল অফিসের এজিএম শাকিল ভূঁইয়া বলেন, “ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। খুঁটি না সরিয়ে কাজ করার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।” অন্যদিকে, ফুলবাড়ীয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম নিশীথ কুমার কর্মকার জানান, “এ ধরনের নির্মাণ অনুমোদন ছাড়া করা ঠিক হয়নি। বিষয়টি এখন আমাদের নজরে এসেছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বজায় রয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *